বর্ষনমুখর দিনে অফিসযাত্রীদের দুর্বিষহ কষ্টের মধ্য দিয়েই পাড় হলো বিধিনিষেধ মেনে চলার তিনদিনের প্রথম দিন। ১ জুলাই থেকে সরকারঘোষিত লক ডাউন শুরুর আগের এই দৃশ্য মানুষকে বেশ অস্বস্তিতেই ফেলেছে।
অটোরিকশা’র শহরে,সেই অটোরিকশাই বন্ধ থাকায় সকাল থেকেই পায়ে হাঁটা দীর্ঘপথেই অফিসে গেছেন এবং ফিরেছেন,সরকারি-বেসরকারি কর্মচারিদের বড় অংশটিই।
দুইদিন পরেই শুরু হতে যাওয়া কঠোর লকডাউন শুরুর আগের এই বিধিনিষেধ যেনো কঠোরতার বার্তাই জানান দিচ্ছে।
সংবাদকর্মী প্রান্ত রনি জানিয়েছেন, ‘এই জনসম্পৃক্ত সিদ্ধান্তগুলো হুটহাট হওয়া উচিত নয়। এমন আকস্মিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা মানতে গিয়ে কষ্টই হয় মানুষের। একই সাথে যেহেতু এই শহরের একমাত্র বাহন অটোরিক্সা,সেহেতু সারাদেশে রিকশার পাশাপাশি,এই শহরে এই তিনদিন অন্তত অটোরিকশা চালু রাখা যেতো। মানুষকে বেহুদাই কষ্ট দেয়ার কোন মানে নেই।’
সংবাদকর্মী সাইফুল হাসান জানিয়েছেন, সকাল দশটায় ভেদভেদী থেকে পায়ে হেঁটে পৌরমাকের্টর অফিসে এসেছি,প্রায় চার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে। এটা বেশ কষ্টের। সীমিত লকডাউন এবং কঠোর লকডাউন এর পার্থক্যই তো বুঝতে পারলাম নাহ্।’
শুধু প্রান্ত বা সাইফুলই নয়, এমন অভিজ্ঞতা পুরো শহরের অজস্র মানুষের।
