উন্নয়ন মানেই আওয়ামীলীগ। আওয়ামীলীগ মানেই উন্নয়ন। একমাত্র আওয়ামীলীগই পারে উন্নয়ন করতে। জনগণকে উন্নত জীবন উপহার দিতে। তাই উন্নয়নের জন্য আওয়ামীলীগকেই প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ২৯৯ নং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী দীপংকর তালুকদার। আর এ উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে ৩০ ডিসেম্বর ভোট চাইলেন নৌকা মার্কায়। যতই নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় আরও বেশি ব্যাস্ত হয়েছে পড়েছে উপজেলা আওয়ামীলীগ। জনগণের কাছে ভোট চাইতে শনিবার সারাদিন কাউখালীর বিভিন্ন এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছেন দীপংকর সহ তার সমর্থকরা। পথসভা, গণসংযোগ, উঠান বৈঠক করে উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা, বিদ্যুৎ, সাম্প্রদাকীয় সম্প্রীতি সহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ভোটারদের। দিনব্যাপী কাউখালী উপাজেলার প্রচারণায় দীপংকরের সাথে ছিলেন- সংরক্ষিত মহিলা এমপি ফিরোজা বেগম চিনু। তিনি উপজেলার ঘিলাছড়ি এলাকায় বলেন- দীপংকর নতুন এবং অপরিচিত নন। ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামীলীগের প্রতিনিধিত্ব করছেন রাঙামাটিতে। রাজনীতি মানুষের জন্য করতে হবে। মানুষের কাছে ভোট চাইতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। দীপংকর নির্বাচতি হলেও জনগণের পাশে ছিলেন, নির্বাচিত না হলেও জনগণের পাশে ছিলেন। দীপংকর জনগণের নেতা। তাই জনগণের নেতাকে ৩০ তারিখ নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি। এসময় তিনি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মনি স্বপন দেওয়ান সম্পর্কে বলেন- মনি স্বপন প্রথম যখন বিএনপি থেকে নির্বাচন করে উপমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন কাউখালীর জন্য কোন উন্নয়ন করেন নাই। মন্ত্রীত্ব শেষে হলে তিনি বিএনপি ছেড়ে এলডিপিতে যান, এলডিপি ছেড়ে লোকান্তরে গেছেন। সিংহ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেএসএস নেতা উষাতন তালুকদার সম্পর্কে বলেন- উষাতন ৫ বছর ধরে এমপি আছেন। আপনাদের মাঝে তিনি কতবার এসেছেন আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। এখানে কখন কোন কাজটা করেছেন? কার উন্নয়ন করেছেন? কোন মসজিদ-মাদ্রাসায় সোলার প্যানেল দিয়েছেন? কোন স্কুল-কলেজকে জাতীয়করণ করছেন সেটা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। কিছুতো করে নাই বরং আমরা যেই সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে¡ প্রতিবাদ করেছিলাম সে সন্ত্রাসের যিনি গডফাদার, যার নেতৃত্বে এখনো চাঁদাবাজি চলে সেই চাঁদাবাজদের লিডারও সিংহ মার্কা নিয়ে ইলেকশন করে। প্রচারণায় অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন- জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা, অংসাপ্রু মারমা, কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরী, সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন সহ জেলা ও উপজেলার ২০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
