একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯নং আসনে নৌকার প্রার্থী ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৩টি কেন্দ্রে ‘ভোট ডাকাতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। নির্বাচনে তাঁর পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি ‘ভোট ডাকাতি’কে চিহ্নিত করেন।
শনিবার বিকালে বনরুপায় তাঁর বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। এ সময় তিনি া বলেন, ‘এই ৫৩টি কেন্দ্রে ৯৬-৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। সেখানে যে কেন্দ্রে ২১শ’ ভোট আছে তারা সেখানে (জেএসএস) দুই হাজার ভোট দিয়ে দিয়েছে। আর আমাদের পড়েছে এক থেকে দুই ভোট। এই ভোট ডাকাতির কথা যখন আমরা বলি, তখন জেএসএস বলে আমরা শান্তি চুক্তি বিরোধী। দেশের সমতল এলাকাগুলোতেও ভোট পড়ে ৭২-৭৪ শতাংশ, তাহলে মনে করা হয় সুষ্ট হয়েছে। তার চেয়ে বেশি ভোট পরলে তা সুষ্ট হয়েছে কিনা প্রশ্ন তুলা হয়। যেখানে পার্বত্য এলাকায় ৬০শতাংশ ভোট পড়তে কষ্ট হয়ে যায় সেখানে এতো ভোট এই কেন্দ্রেগুলোতে কীভাবে পড়ে?’
তিনি বলেন, উষাতন তালুকদার চাকুয়া কাপ্তাইয়ের পাড়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে বলেছেন, ‘যদি সুষ্ট নির্বাচন হয় তাহলে তিনি আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। উষাতন তালুকদারকে আমরা জিজ্ঞেস করতে চাই ৫৩টি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করলো কারা? আমরা মনে করি এবার আর মানুষ তাদের ভোট ডাকাতি করতে দিবে না। মানুষ সচেতন হয়েছে এই বিষয়ে, যার কারণে আমরা এইবার জয়ী হবো বলে আশাবাদী।’
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চিকিংউ রোয়াজা, নিখিল কুমার চাকমা, সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর, যুগ্ন সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বাবুল, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য ও দলটির মহিলা সম্পাদিকা ফিরোজা বেগম চিনু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. রফিকুল মাওলাসহ দলটির রাঙামাটি জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করা হয়।
