দেশব্যাপী টানা ৪৮ ঘণ্টা পরিবহন ধর্মঘটের কারণে রাঙামাটির সাথে সারাদেশের যাত্রী পরিবহন ও পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। পরিবহন ধর্মঘটের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
রোববার সকাল থেকেই এই পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি মানা না হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
এদিকে পরিবহন বন্ধ থাকায় কাপ্তাই হ্রদে প্রতিদিন যেসব মাছ শিকার করা হয়, সেগুলো পরিবহন করতে না পারায় ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা মৎস্য খাতকে পরিবহন ধর্মঘটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান।
মাছ ব্যবসায়ী মো. জালাল জানান, ‘ধর্মঘটের কারনে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ঘাটে মাছ এসে পরে আছে। অবরোধ চলতে থাকলে এসব মাছ ঘাটেই পচে যাবে। এতে করে ব্যবসায়ী প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে জানান।
কাপ্তাই ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহ সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রতিদিন ৮/১০ ট্রাকে মাছ রাঙামাটি থেকে বিভিন্ন জেলায় যায়। ধর্মঘটের কারনে সকাল থেকে এখনো কোন গাড়ি ছেড়ে যায়নি। যদি দেশব্যাপী টানা ৪৮ ঘণ্টা পরিবহন ধর্মঘট চলতে থাকে তাহলে প্রতিদিন আমরা ১ থেকে ২ কোটি টাকার ক্ষতি হবে।
রাঙামাটি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজ বলেন, ‘সরকার আমাদের দাবি মেলে নিলে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালাবো। যদি দাবি মেনে না নেয় তাহলে কঠোর আন্দোলন করবো।
উল্লেখ্য, সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন- ২০১৮’ এর কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে রোববার (২৮ অক্টোবর) সকাল ছয়টা থেকে সারা দেশে ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।
