দীঘিনালা প্রতিনিধি
পাহাড়ের অন্যান্য অঞ্চলের মতো খাগড়াছড়ির দীঘিনালাতেও শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহি বৈসাবি উৎসব। উৎসব উপলক্ষ্যে উপজেলা খেলার মাঠে শুরু হয়েছে পাঁচদিনব্যাপি বৈসাবি মেলা।
শনিবার বৈসাবি মেলার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করেন শরনার্থী বিষয়ক টাষ্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা এমপি। শনিবার শুরু হওয়া মেলা চলবে বুধবার পর্যন্ত। মেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ঐতিহ্যবাহি খেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রতিদিনি দর্শনার্থীদের আমেজ সৃষ্টি করছে। এর মধ্যে প্রাচিনতম ঘিলা খেলা আর ত্রিপুরাদের গড়িয়া নৃত্য সবার নজর কাড়ছে। রবিবার ত্রিপুরা সম্প্রদায় বের করে বর্ণাঢ্য র্যালি। র্যালিতে অংশগ্রহন করেন কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা এমপি। র্যালিটি বাসটার্মিনাল থেকে শুরু করে খেলার মাঠে বৈসাবি মেলায় গিয়ে অংশগ্রহন করে।
বৈসাবি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বোয়ালখালি (সদর) ইউপি চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা জানান, দীঘিনালায় বৈসাবি উৎসব অনেকটাই সম্প্রীতিরি মেলার মতো। এউৎসবে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই অংশগ্রহন করে এবং উপভোগ করেন। এবছর বৈসাবি রমজান মাসের মধ্যে হওয়ায় কারো ধর্মীয় কাজে যেন ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি রেখে মেলায় অনুষ্ঠানের সময়সূচি নির্ধারন করা হয়েছে।
পাহাড়ের বৈসাবি উৎসব মূলত ত্রিপুরা, মারমা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের “বৈসু” মারমা সম্প্রদায়ের “সাংগ্রাই” এবং চাকমা সম্প্রদায়ের “বিঝু”। তিন সম্প্রদায়ের তিন নামের আধ্যক্ষরের সমন্বয়ে এ উৎসবের একসাথে নামকরন করা হয় “বৈসাবি”।
