দীঘিনালা প্রতিনিধি
দীঘিনালায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয় উভয় পক্ষের ৭জন। সংবাদ পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে আহত হয় আরো ৩ পুলিশ সদস্য। পরে সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাটি বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলা সদর সংলগ্ন থানাবাজারের অদুরে মাইনি নদীতে নতুন সেতুর ওপর।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে আক্রান্ত হয় পুলিশ সদস্যরাও। এসময় টিআর শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু হামলাকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে মাথা ফেটে আহত হন তিন পুলিশ সদস্য। তাঁরা হলেন, এসআই ইমরান উদ্দিন, কনস্টেবল দুলাল বাউড়ী ও কনস্টেবল নয়ন চাকমা।
হাসপাতাল সূত্রমতে, তিন পুলিশ সদস্যের বাইরে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে আরো চিকিৎসা নিয়েছেন পশ্চিম থানা পাড়ার মৃত আ. হালিমের ছেলে মো. মহিউদ্দিন (২১), থানা বাজার এলাকার মনির হোসেনের ছেলে মো. সোহাগ (২৫), থানা পাড়ার সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. খোরশেদ (২৬), কাট্ট্রলি মুড়া এলাকার যতীন বিকাশ চাকমার ছেলে বিশাল চাকমা (১৮), শান্তিপুর এলাকার প্রেমলাল চাকমার ছেলে প্রনব চাকমা (৪৫), থানাপাড়ার মৃত আব্দুল শুক্কুরের ছেলে মেহেদী আলম (৩১) এবং একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম (৩৩)।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার জন্য মুল দায়ী নতুন সেতুর ওপর রাতে বখাটেদের আড্ডা। প্রায় রাতেই নতুন এই সেতুর ওপর মাদক সেবীদের আড্ডা বসে। ঘটনার রাতেই ছিল মাদকসেবীদের আড্ডা। এসময় একটি ব্যাটারি চালিত যাত্রীবাহী একটি ইজি বাইক যাওয়ার সময় আড্ডাবাজদের কারো গায়ে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি, এক পর্যায়ে হাতাহাতি পরে বিশাল সংঘর্ষ। এ সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মোটরবাইক আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে পার্শ¦বর্তী জোন থেকে সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানতে চাইলে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম পেয়ার আহম্মেদ জানান, তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে; এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
