রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি ও রাজধানীতে কাজ করা ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাঙামাটি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুর কণ্যা নাজনীন আনোয়ারের দায়ের করা ‘হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে রাঙামাটি জেলা যুবদল।
জেলা যুবদলের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল এবং সাধারন সম্পাদক আবু সাদাত মোঃ সায়েম এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, রাঙামাটির ঐতিহ্যবাহি ডিসি বাংলো পার্ক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম এর সম্পাদক ফজলে এলাহীর বিরুদ্ধে এর আগেও একটি মামলা করে তাকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ ও নিয়ন্ত্রনের যে অপচেষ্টা চলমান আছে,তারই অংশ হিসেবে ফজলে এলাহীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় ফজলে এলাহীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে, তিনমাস আগে দেয়া স্ট্যাটাসের জেরে নতুন করে দায়ের করা মামলা আওয়ামীলীগ নেত্রী ও তার কণ্যার ‘অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের বহি:প্রকাশ।’
বিবৃতিতে যুবদল নেতারা বলেন,‘ এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি যখন প্রণয়ন করা হয়,তখনই বিএনপিসহ জাতীয়তাবাদী শক্তি এই আইনের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সেই প্রতিবাদ এখনো অব্যাহত আছে। অথচ আইনটির মাধ্যমে এই সরকার বিরোধী দল মত পথের মানুষসহ বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। সারাদেশে লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এই আইনে মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে, অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে। শুধু তাই নয়, এই আইনের মাধ্যমে এখন সারাদেশেই সাংবাদিকদের কন্ঠ ও লেখনি রোধের সর্বাত্মক ও আগ্রাসি অপচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।’
বিবৃতিতে যুবদল নেতারা,অবিলম্বে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জোর দাবিও করেছেন তারা।
একই সাথে একের পর মামলার মাধ্যমে রাঙামাটিতে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য মহিলা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ফিরোজা বেগম চিনু ও তার মেয়েকে অনুরোধ জানিয়েছেন যুবদল নেতারা। ( বিজ্ঞপ্তি)
