সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির প্রতি অবিলম্বে খুন, সন্ত্রাস ও ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের দাবিতে রবিবার সকালে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, সাজেক ও খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পৃথক পৃথকভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সাজেক নারী সমাজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি বঙ্গলতলী এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ ও সাজেক নারী সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সদস্য সূচনা চাকমা। সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট ও মাচলংয়ে পৃথক দুই স্থানে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় বাঘাইহাটের বালুঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে রুপসা চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের কেন্দ্রীয় সদস্য উর্মিলা চাকমা। আর মাচলং-এ এলাকার প্রতিবাদী জনগণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি অন্বেষা চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক সবিতা চাকমা।
অনুষ্ঠিত এসব মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বক্তারা ইউপিডিএফের সাথে হওয়া সমঝোতার শর্ত ও সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে জেএসএস সন্তু গ্রুপ কর্তৃক ১১ জুন থেকে নতুন করে ইউপিডিএফের ওপর সশস্ত্র হামলা ও পর পর দুই ইউপিডিএফ সদস্যকে খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
অপরদিকে, একই দাবিতে সকাল ১০টার সময় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া এলাকায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ কমিটির বাবুছড়া শাখার সম্পাদিকা ঊষা রানী চাকমা ও যুব সমাজের প্রতিনিধি সুভাষ চাকমা।
বক্তারা বলেন, আমরা সবাই শান্তিতে থাকতে চাই। সেজন্য আমরা আজকে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। আমরা সবাই একতাবদ্ধ হয়ে থাকতে চাই। তারা অচিরেই সংঘাত বন্ধ করে শান্তি স্থাপনের জন্য সন্তু লারমা তথা জেএসএস’র প্রতি আহ্বান জানান। পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোনাদেবী চাকমা প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
