২০১৭ সালে নানান কারণে অকারণে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নাম।
জেলা ক্রীড়া সংস্থায় ক্রিকেট উপ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ,ক্রিকেট লীগ আয়োজন নিয়ে কমিটি ও কয়েকটি ক্লাবের কর্মকর্তাদের বিরোধ,লীগের টানা নিয়ে টানাপোড়েনের পর সর্বশেষ বিসিবি’র কাউন্সিলর হিসেবে ক্রিকেটারের পরিবর্তে একজন ফুটবলারকে মনোনয়ন দেয়া নিয়ে শুরু হয় নয়া বিরোধ। সংবাদ সম্মেলন করে জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ এনে পদত্যাগপত্র জমা দেন ক্রিকেট উপ কমিটির আহ্বায়ক আবু সাদাত সায়েম ও তার অনুসারিরা। এই পদত্যাগপত্র দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর গত মঙ্গলবার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভায় এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে হিরো ও রমজানকে দায়িত্ব দিয়ে গঠিত হয় নতুন কমিটি। সেই সাথে ২০১৭ সাল জুড়ে ক্রিকেট উপ কমিটি নিয়ে আলোচনার অবসান হয়। তবে নতুন বছরে নতুন এই ক্রিকেট কমিটিকেও পাড়ি দিতে হবে কঠিন পথ। ক্রিকেটলীগ আয়োজন, ক্লাবগুলোর বকেয়া পরিশোধ,বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রনে আনার মতো কঠিন কাজটি করতে হবে এদের।
অন্যদিকে মাঝামাঝি পর্যায়ে আলোচনায় আসে রেডক্রিসেন্ট এর রাঙামাটি ইউনিটও। পাহাড়ধসে গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় এই সংগঠনটির যুব স্বেচ্ছাসেবিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও সেই সময় রেডক্রিসেন্ট এর ইউনিট অফিসার ও সেক্রেটারির বিদেশে থাকা নিয়ে তৈরি হয় ব্যাপক সমালোচনা। তারপর সহসভাপতি ও ইউনিট অফিসারের মধ্যকার সৃষ্ট বিরোধে ইউনিট অফিসারকে বদলির পর শুরু হয় সভাপতির সাথে সহসভাপতি ও সেক্রেটারির বিরোধ। এই বিরোধে শেষাবধি জড়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগও। ভেঙ্গে দেয়া হয় রেডক্রিসেন্ট এর নির্বাচিত কমিটিকে,দায়িত্ব দেয়া হয় অন্তবর্তীকালিন কমিটিকে। অব্যাহতি পাওয়া কমিটি আদালতে রিট করে,রিটের বৈধতা চ্যালেজ্ঞ করে অন্তর্বতীকালিন কমিটিও। স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের নেতৃত্ব নিয়ে আদালতের পাশাপাশি কথার যুদ্ধও শুরু করে দুই পক্ষ। সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতির বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তোলে অব্যাহতি পাওয়া কমিটি, আবার তাদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আনেন সভাপতিও। বিশ্বব্যাপি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবি কাজের জন্য আলোচিত সংগঠনটির রাঙামাটি ইউনিটের নেতারা তুচ্ছ ব্যক্তিগত বিরোধে জড়িয়ে পুরো সংগঠনটিকেই হাস্যকর করে তোলেন এই বছরে।