নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও লেখক মলয় ত্রিপুরা কিশোরের ‘বাংলাদেশের ত্রিপুরী মানস সম্পদ: প্রকাশনা, সম্পাদনার ঐক্যতান’ গবেষণাধর্মী বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও লেখক, সম্পাদকদের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে রাঙামাটি শহরের ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
মোড়ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রীতি কান্তি ত্রিপুরা, ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সুরেশ ত্রিপুরা, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও সুরনিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খা, লিটল ম্যাগের সম্পাদক অরুনেন্দু ত্রিপুরা, অনুবাদক লেখক পাপেল চাকমা, আদিবাসী ফোরাসের রাঙামাটি অঞ্চলের সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার, লেখক পঙ্কজ আসাম, শিক্ষাবিদ সজীব ত্রিপুরা ও খোকনেশ^র ত্রিপুরা, সাহিত্যিক জাবেদ নূর, উন্নয়নকর্মী অমল বিকাশ ত্রিপুরা, শিক্ষাবিদ আনন্দ জ্যোতি চাকমাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা লেখক মলয় ত্রিপুরা কিশোরের গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রশংসা করে বলেন, একজন লেখক তাঁর লেখা ও কাজের মাধ্যমে অন্যদের থেকে নিজেকে পৃথক করে তুলেন। তেমনিভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করো মলয় ত্রিপুরা পার্বত্যাঞ্চলে ত্রিপুরাদের জন্য এপর্যন্ত যেসব বই, প্রকাশনা বের করেছে, সেসব সংগ্রহ করে সেটা মলাটের আকারে তুলে ধরেছেন।
লেখক মলয় ত্রিপুরা কিশোর বলেন, এই বইয়ে ১৯৮২ সাল থেকে এই পর্যন্ত বিভিন্ন লেখকের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশনার সন তারিখ তুলে ধরা হয়েছে। নিঃসন্দেহের এই কষ্টসাধ্য কাজ, তারপরও নিজ জনগোষ্ঠীকে সাহিত্যে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এমন কাজে হাত দিয়েছে। বইয়ে বিভিন্ন লেখকের ১৪৪টি প্রকাশনা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই পর্যন্ত ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী নিয়ে কমপক্ষে ৫০০ প্রকাশনা বের হয়েছে। যা সময়ের পরিক্রমায় আস্তে আস্তে এই বইয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তুলে ধরা হবে।
