জাকির হোসেন, দীঘিনালা ॥
তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে রবিবার শুক্রবার থেকে বন্ধ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। তাই বৃহস্পতিবার) সকল প্রার্থীই শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত দিন পার করছেন।
পাহাড়ের একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদা বেগম লাকিও ব্যস্ত সময় পার করছেন শেষ মুহূর্তের প্রচারণায়। তিনি লড়ছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে। উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের দুর্গম সীমানা পাড়া এবং রথিচন্দ্র কার্বারি পাড়ায় দেখা যাচ্ছে লাকিকে ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর ভোটারদের মাঝে ভোট চাইছেন।
তিন ইউনিয়নের মধ্যে মেরুং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে লড়ছেন মাহমুদা বেগম লাকি। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতায় এটিই প্রথম নারী প্রার্থী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, তিন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮জন। ১নম্বর মেরুং ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম লাকি, আনারস প্রতীকে হেমব্রত চাকমা (কার্বারি) এবং হাতপাখা প্রতীকে আশরাফুল ইসলাম। ২নম্বর বোয়ালখালি (সদর) ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. মোস্তফা এবং আনারস প্রতীকে উপজেলা জেএসএস (এমএন লারমা) এর সাধারণ সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা কালাধন। আর ৩নম্বর কবাখালি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বারেক, আনারস প্রতীকে জেএসএস (এমএন লারমা) সমর্থিত যুব সংগঠন যুবসমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নলেজ চাকমা জ্ঞান এবং ঘোড়া প্রতীকে মো. কাইয়ুম।
মাহমুদা বেগম লাকি বলেন, ‘আমি একজন নারী কিন্তু দল যেহেতু আমাকে প্রতীক দিয়ে নির্বাচনের সুযোগ করে দিয়েছে আমি দলের প্রতি সে সম্মান দেওয়ার জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যেসব দুর্গম এলাকায় কখনো কোন প্রার্থী যায়নি সেসব এলাকাতেও প্রতিনিয়ত গিয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলছি। ভোটাররাও আমাকে সাড়া দিচ্ছেন। এবং বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি।’ লাকি আরো জানান, নির্বাচিত হলে তিনি দুর্গম এলাকাগুলোতে উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড শুরু করবেন।
