সৈকত বাবু
রাঙামাটিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাপ্তাইয়ে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষে নিহত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য সজিবুর রহমান (সজীব মেম্বার)কে ‘সম্ভবত হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয় নাই’ বলে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, এমপি।
বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে রাঙামাটি জেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বচনকে সামনে রেখে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা সশস্ত্র সন্ত্রাস নির্মূল করার লক্ষ্যে আওয়ামীলীগ রাঙামাটি জেলা শাখা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
কাপ্তাইয়ে নিজ দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত সজিবুর রহমানকে নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, সজীবের উপর যে আঘাত করা হয়েছে, যে আলামত আমরা যা দেখছিম সম্ভবত হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয় নাই। ওকে ভীতি প্রদর্শন বা এরকম কিছু করার জন্য আঘাত করা হয়েছে, সে আঘাত খুব খারাপ জায়গায় লেগেছিল বলেই সে মারা গেছে। আমার মনে হয় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বোধহয় এটি করা হয় নাই, তারপরও যেহেতু সে মারা গেছে স্বাভাবিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটি তদন্ত করবে, আমরাও তদন্ত করছি এবং যদি আমাদের দলের কেউ জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা অবশ্যই নিব।’
প্রসঙ্গত বিগত ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় নতুন বাজার এলাকায় কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা বাঁধলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এসময় ভারি কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করায় গুরুতর আহত হন সজিবুর রহমান ওরফে সজিব মেম্বার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর সেখানেই চিকিৎকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। সজিব কাপ্তাই ইউনিয়নের ৫ ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য। সজিব আওয়ামী লীগের মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফের সমর্থক। লতিফ এবার আবারও দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন পাটোয়ারী বাদল চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।
