অরণ্য ইমতিয়াজ
হ্রদে ‘ঠিকঠাক’ পানি না বাড়ায় ‘খোলার নির্ধারিত সময়’ এর পরও তিন দফায় ১০ দিন করে বাড়ানোর পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে হ্রদ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন।
শুক্রবার তৃতীয় দফার সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত ৩১ আগষ্ট মধ্যরাতের আগ অবধি মাছ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে প্রথমে ৩১ জুলাই থেকে ১০ আগষ্ট, এরপর ২০ আগষ্ট এবং সর্বশেষ ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এই সময়সীমা বাড়ানো হয়।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, সভায় প্রত্যাশিত পানির মাত্রা মোটামুটি কাছাকাছি আসায় কিছু স্বস্তি ছিলো,ছিলো তৃপ্তিও। কারণ হ্রদে মাছ ধরার জন্য ১০০ এমএসএল (মীন সি লেভেল) পানি থাকার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও গতকাল শুক্রবার সেই পানির উচ্চতা ছিলো ৯৪ এমএসএল। আগামী ১০ দিনে এই উচ্চতা আরো বাড়তে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আর না বাড়লেও আগামী ১ সেপ্টেম্বরই শুরু হবে মাছ আহরণ। কারণ ইতোমধ্যেই ৩ মাসের বন্ধ বেড়ে ৪ মাসে চলে যাওয়ায়,বিপাকে পড়েছেন হ্রদে মাছ ধরার উপর নির্ভরশীল জেলে ও ব্যবসায়িরা।
বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন এর রাঙামাটির ব্যবস্থাপক নৌকমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম বলছেন, আশা করছি আগামী ৩১ আগষ্টের মধ্যে পানির উচ্চতা আরো বাড়বে এবং ১ সেপ্টেম্বর থেকেই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু হবে।’
সাধারনত,কাপ্তাই হ্রদে বছরের মে থেকে জুলাই মাসে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এই সময়ে হ্রদে ছাড়া হয় কার্পজাতীয় মাছের পোনা। এবছর অবশ্য কার্পজাতীয় পোনার সাথে ছাড়া হয়েছে চিতল, শোল এবং বোয়ালের পোনাও। কিন্তু কম বৃষ্টির কারণে হ্রদের পানি স্বাভাবিক উচ্চতায় না পৌঁছানোয় তিন মাসের জায়গায় বাড়তি একমাস দীর্ঘায়িত হলো হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ থাকার মৌসুম।
