ইয়াছিন রানা সোহেল
লকডাউন শুরুর আগে শহরের স্বাভাবিক অটোরিক্সা ভাড়ার যে চিত্র,সেটাই ফিরিয়ে আনা হলো ফের। এখন থেকে সেই পুরনো ভাড়াতেই যাত্রী পরিবহন করতে হবে অটোরিক্সা চালকদের। তবে শহরে চলাচলকারি সকল অটোরিক্সা নয়, আপাতত চলতে পারবে মাত্র অর্ধেক অটোরিক্সা। কিন্তু যাত্রী পরিবহনও থাকবে স্বাভাবিক।
করোনা মহামারী সংক্রমন কমাতে স্বাস্থ্যবিধির অংশ হিসেবে গণ পরিবহনে বাড়তি ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ৬০% ভাড়ায় বাড়তি ভাড়ায় এদ্দিন চলেছিলো সকল যানবাহন। দুরপাল্লার বাসে এ নির্দেশনা মানা হয়।
কিন্তু রাঙামাটি শহরের একমাত্র আভ্যন্তরীন পরিবহন সিএনজি অটোরিক্সার ক্ষেত্রে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। নির্দেশনার পর বাড়তি ভাড়া নেয়া হলেও অর্ধে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি ছিল উপেক্ষিত। ফলে সাধারণ যাত্রী ও সিএনজি অটোরিক্সা চালকদের সাথে প্রায়ই ভাড়া নিয়ে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে।
বুধবার (১১আগস্ট) থেকে সকল প্রকার যানবাহনে পূর্বের ভাড়ায় চলবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেই হিসেবে রাঙামাটি শহরের অটোরিক্সা সহ সকল পরিবহন পূর্বের ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দিয়েছেন জেলাপ্রশাসক।
মঙ্গলবার বিকেলে জেলাপ্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ পেলে চালক মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সভায় জানান পুলিশ সুপার।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মীর মোদাদছছের হোসেন, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক(সার্বিক) মোঃ মামুন, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান, প্যানেল মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন, রাঙামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, অটোরিক্সা চালক সমিতির সভাপতি পরেশ মজুমদার প্রমুখ।
প্রতিটি যানবাহনে চালক-হেলপার ও যাত্রীদের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমিতির নেতৃবৃন্দদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
