সুহৃদ সুপান্থ
রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর এর হাত ধরেই এলপিজি গ্যাস যুগে প্রবেশ করছে পার্বত্য শহর রাঙামাটি।
শহরের আসামবস্তি-রাঙাপানি-ভেদভেদী সড়কে আগামী আগষ্ট মাসেই চালু হতে যাচ্ছে জেলার প্রথম এলপিজি গ্যাস স্টেশন ‘হাজী আব্দুল বারি মাতব্বর এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশন’।
ওই সড়কে ২০ শতক ভূমিতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে এই এলপিজি স্টেশন নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজী মুসা মাতব্বর জানিয়েছেন, ‘ এটা শুধু ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়,রাঙামাটিবাসির কষ্টেরও সুরাহা করার একটি পদপেক্ষপ। আপনারা জানেন,রাঙামাটিতে জ¦ালানী হিসেবে শুধুমাত্র অকটেন পেট্রল ব্যবহৃত হয়,গ্যাসের জন্য দূরের চট্টগ্রামে যেতে হয় এখানকার গাড়ীগুলোকে,যা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। আবার যেহেতু রাঙামাটিতে গ্যাস সংযোগ নেই,সেহেতু এলপিজি ট্যাংক’র বিকল্পও সম্ভব নয়। তাই আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই গ্যাস স্টেশনটি চালু করছি।’
মুসা মাতব্বর জানান, এই স্টেশন থেকে যে আয় হবে তার একটি অংশ আমি আমার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত হাজী আব্দুল বারি মাতব্বর ফাউন্ডেশন এর তহবিলে দিব,সামাজিক কাজগুলো সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য। সেই মোতাবেক কাগজপত্রও করেছি। আশা করছি এই উদ্যোগ রাঙামাটিবাসির কাজে আসবে।’এই স্টেশন থেকে রাঙামাটির গ্যাস চালিত সকল গাড়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে বলেও জানান তিনি। 
হাজী মুসা জানিয়েছেন, আমাদের সব প্রস্তুতি শেষ। কিছু কাজ বাকি আছে যা আগষ্টের ১৫ তারিখের মধ্যেই শেষ হবে। আশা রাখি মধ্য আগস্টের পরেই শুরু করে দিতে পারব ইনশাল্লাহ।’
প্রসঙ্গত, পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে জ্বালানী মূলত ডিজেল অকটেল পেট্রল এর উপর নির্ভরশীল এবং জেলা শহর ও একাধিক উপজেলায় বেশ কয়েকটি বড়,মাঝারি ও ছোট পেট্রল পাম্পও আছে। কিন্তু এই জেলার সীমানায় কোন গ্যাস ফিলিং স্টেশন নেই। সম্প্রতি আরো কয়েকজন ব্যবসায়ি এলপিজি গ্যাস স্টেশন করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে শোনা গেলেও,হাজী মুসা মাতব্বরই পিতার নামে করা এই ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে সবার চেয়ে এগিয়ে রইলেন।
