জয়নাল আবেদীন, কাউখালী
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শতরূপা তালুকদার সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়ে লক্ষীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি হয়েছে। তাই ছেড়ে যেতে হচ্ছে কাউখালী উপজেলাকে। ছেড়ে যাওয়ার বেলায় ভালোবাসা ও আবেগ মিশ্রিত বিদায়ী সংবর্ধনা দিতে ভোলেনি কাউখালী উপজেলা পরিষদ ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সোমবার সকালে কাউখালী উপজেলা পরিষদের আয়োজনে কাউখালী উপজেলা হলরুমে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগেও অন্তত অর্ধশত সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান থেকে ভালোবাসায় সিক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা পেয়েছে এই ইউএনও।
কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামশুদ্দোহা চৌধুরীর সভাপতিতে, কলমপতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম চৌধুরী, কাউখালী থানা অফিসার ইনচার্জ শহিদুল্ল্যা পিপিএম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অংপ্রু মারমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিংবাইউ মারমা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার বাহার উদ্দিন, ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান জগদীশ চাকমা, বেতবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খইচাবাই তালুকদার, ফটিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ধন কুমার চাকমা, কাউখালী স্থায়ী ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ সভাপতি টুন্টু সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রজন্মলীগের উপজেলা সভাপতি মাইনুদ্দিন, ইউপি সদস্য শফিকুল রহমান শরীফ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শতরূপা তালুকদার সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন।
বিগত প্রায় আড়াই বছরে সততা ও দক্ষতার সাথে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় একজন জনবান্ধব ও মানবিক ইউএনও হিসেবে সকলের নজর কাড়েন তিনি।
বিদায়ী বক্তব্যকে শতরূপা উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অনেক রকমের সহয়তা পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আবার চাকুরীর খাতীরে কর্তব্য আদায় করতে গিয়ে অনেকজনের কাছে হয়তো খারাপ হয়েছি। আমার কিছু করার ছিলনা, সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী আমাকে আমার কর্তব্য পালন করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি, কারও প্রতি অন্যায় করে থাকি তাহলে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন তিনি।
