হেফাজত সবুজ
রাঙামাটি জেলায় করোনা ও পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার এসে পৌঁছেছে। রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ তথ্য জানান। জেলা প্রশাসক বলেন, এবার করোনাকালী ত্রাণ সহায়তা নয় বরং অর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাঙামাটি জেলা ও পৌরসভার জন্য প্রাপ্ত বরাদ্দ ইতি মধ্যেই উপজেলা নির্বাহদী অফিসার ও পৌর মেয়ককে চেক প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রাঙামাটি জেলার জন্য মোট প্রাপ্ত অর্থ সহায়তার পরিমাপ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। যা প্রতি ইউনিয়নে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ১০ উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নে বিতরণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের চেক প্রদান করা হয়েছে। যা শুধু মাত্র অতি দরিদ্র পরিবারে মাঝে পরিবার প্রতি ৫শ টাকা করে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, পৌরবাসীর জন্য পৃথক বরাদ্দ এসেছে, রাঙামাটি পৌরসভার জন্য ২ লাখ এবং বাঘাইছড়ি পৌরসভার জন্য ১ লাখ টাকা। উক্ত চেক সমুহও মেয়রদের প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আরো কিছু ভিজিএফ বরাদ্দ টাইপ লাইনে আছে যা সহসাই পেয়ে যাবো সেগুলোও অতি দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এবার রাঙামাটি জেলার জন্য ৩১ হাজার ৫শ ২টি পরিবারের জন্য ভিজিএফ কার্ড (নগদ অর্থ) এর বিপরীতে ১ কোটি ৪১ লাখ ৭৫ হাজার ৯শত টাকা পাওয়া যাবে। যা পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে বিতরণ করা হবে। ডিসি বলেন, এই দুটি বরাদ্দ যাকে কোন ভাবেই ওভারলেপিং না হয় সে ব্যাপারে ইউএনওদের নির্দেশনা দিয়েছি। এব্যাপারে জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
উপজেলা ভিত্তিক প্রাপ্ত ভিজিএফ কার্ডের পরিমাণ হচ্ছে, বাঘাইছড়ি উপজেলা ৬২৯৯ ও বাঘাইছড়ি পৌরসভা ১৫৪০টি, লংগদু ৩৯৮৯, নানিয়ারচর ১১২৫, জুরাছড়ি ৯০২, বরকল ২৩৮০, বিলাইছড়ি ১৪৫০, কাপ্তাই ১২৬০, রাজস্থলী ১৭১২, কাউখালী ৩২২৭, রাঙামাটি সদর উপজেলা ২৯৯৭ এবং রাঙামাটি পৌরসভা ৪৬২১টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ আছে।
এছাড়াও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ১ মে থেকে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রাকৃতিক পজজনের জন্য ৩ মাসের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। তাদের জন্য রুটিন বরাদ্দ ২২ হাজার ২শ ৫৫টি কার্ডের বিপরীতে ৮শ ৯০ দশমিক ২০০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা কার্ড প্রতি প্রতিমাসে ২০ কেজি করে চাল পাবেন জেলেরা।
