দোকানে চাহিদা মোতাবেক খাওয়ার না পেয়ে দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এক পান দোকানদারকে মারধর করা হয়। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের মক্কা হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এই ঘটনা ঘটে। এদিকে হামলাকারীরা সবাই রামগড় পৌর মেয়র কাজী রিপন ও খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলমের অনুসারী বলে জানা গেছে। হামলাকারীদের অধিকাংশ আদালতে হাজিরা দেয়ার জন্য খাগড়াছড়ি আসে। ঘটনায় জড়িত থাকায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
মক্কা হোটেলের মালিক মোঃ আলমগীর জানান, দুপুরে এক ব্যক্তি দোকানে এসে ২৫/৩০ জনের মাথাপিছু ১শ ১০ টাকা করে খাবার দেয়ার কথা বলেন। সে মোতাবেক প্রত্যেককে খাবার দেয়া হলেও তাঁরা মাথাপিছু হিসেবের চেয়ে বেশি টাকার খাবার চাচ্ছিল। এতে অপারগতা জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা দোকান ভাংচুর করে। এসময় জাহাঙ্গীর নামে একজনকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) মোঃ শাহনুর জানান, এই ঘটনায় আবু ছালেক ও রঞ্জন দেবনাথ নামে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
১ Comment
ঘটনাটা পুরাটা সত্যি নয়, এক পক্ষ কেন্দ্রিক কথা শুনে
নিউজ করাটা ঠিক হয়নি।
এখানে ঘটনাটা হলো…….
প্রথমে ১১০ টাকার বাজেট হলেও পরবর্তিতে বাকি কাস্টোমাররা বলেছে ১১০ টাকার বেশি যত টাকা আসবে
বাকি টাকা গুলো ঐগুলো কাস্টোমার দিবে,
কিন্তু দোকানদার খাওয়ার থাকা অবস্থায় খাওয়ার নেই
বলে কাস্টোমারদদের মিথ্যা বলে, অন্য কাস্টোমারদের
খাওয়ার দিতে শুরু করে তখনি রামগড়ের কাস্টোমারের
কাছে অপমান বোধ হয়, তখন রামগড়ের কাস্টোমাররা
দোকাদারকে জিজ্ঞেস করে যে তিনি মিথ্যা কেন বলেছেন? ১১০ টাকার বেশি হলে সেটা আমরা দিবো
কিন্তু খাদ্য নেই বলে আমাদের কেন অামাদের অপমান
করলেন?? পরবর্তিতে দোকানদার উত্তর বলেন ১১০
টাকা বাজেট আমরা আর বেশি টাকা যদি আপনারা দেন তারপরও দিতে পারবোনা, তখন একপ্রর্যায়ে দোকানদারের সাথে রামগড়ের কাস্টোমারদের কথা
কাটাকাটি শুরু হলে…পাশের পান দোকানদার তর্ক করে
বলে উঠে ১১০ টাকা খেতে মন চাইলে খান না হলে
দোকান থেকে বাহির হয়ে যান, তখন রামগড়ের
কাস্টোমাররা পান দোকানদারকে জবাবে বলেন
আপনি তৃতীয় পক্ষ হয়ে কেন আমাদের সাথে খারাপ আচরন করতেছে??? আমরা তো আপনার সাথে কথা
বলতেছিনা, তখন পান দোকানদার উচ্চস্বরে বলে উঠে
আমি তৃতীয় পক্ষ নই তোরা তৃতীয় পক্ষ, আমি দোকানদারের ভাই হই, তোরা দোকান থেকে বাহির হয়ে যা, এই বলে রামগড়ের কাস্টোমারদের
একজনকে ধাক্কা দিতে থাকে এবং পরবর্তিতে একপর্যায়ে
উভয় পক্ষের সাথে হাতাহাতি শুরু হয়।
তারপর পুলিশ সেখানে এসে কোন কিছু বিস্তারিত না জেনে দুইজনকে সেখান থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।