দরজায় কড়া নেড়ে আসছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা বা দুর্গোৎসব। উৎসবের আনন্দে মেতে উঠছে শিশু কিশোর ছেলে-বুড়ো সবাই। এর মধ্যে বাকি আছে মন্ডপে মন্ডপে প্রতিমার রঙ তুলির কাজ। আর উৎসবকে মাতিয়ে তোলতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা করেন পূজার কেনাকাটা। পূজার সময় নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ সবাই নতুন পোশাক পড়ে মন্ডপে মন্ডপে ঘুরে বেড়ান। এসময় ধনী গরিব সবারই মনে বঞ্চনা থেকে পূজায় নতুন পোশাক পরিধান করে ঘুরবে। আর পূজাকে ঘিরে অন্য সময়ের চেয়ে আরও ব্যস্ত হয়ে পড়ে পোশাক-আশাকের দোকানেরগুলো।
রাঙামাটির শহরের কাপড় ও গার্মেন্টস দোকানগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অন্য সময়ের চেয়ে দোকানগুলো ভিড় দেখা যাচ্ছে ক্রেতার, ব্যস্ত সময় পারছেন দোকানের কর্মচারীরা। তবে কাপড়ের দোকানগুলোর থেকে বেশি ভিড় দেখাচ্ছে গার্মেন্টস দোকানে।
শহরের বনরূপা বাজারের সানু গার্মেন্টসের পরিচালক মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ জানান, আমাদের দোকানের ছেলেদের প্যান্ট, শার্ট, টি-শার্ট, গেঞ্জির চাহিদাই বেশি। তবে পূজো যত ঘনিয়ে আসবে, ততই আমাদের বেচাকেনা আরো বাড়বে।
প্যান্ট শার্ট কিনতে আসা তপু দে বলেন, আমি ২৬০০ টাকা দিয়ে থাই প্যন্ট কিনলাম। দাম বিষয়ে তপু বলেন, আপাতত দাম নাগালের মধ্যেই আছে, তবে পূজা ঘনিয়ে আসলে দাম আরো বাড়ছে পারে।
পিরান শপিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ হেলাল বলেন, পূজাকে ঘিরে অন্য সময়ের তুলনায় ভালোই ব্যবসা হচ্ছে, পূজা যত ঘনিয়ে আসছে, বেচাকেনাও তত বেশি বাড়ছে। আশা করছি সামনে আরও ক্রেতা বাড়বে। দাম কেমন চলছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য সময়ের মতই স্বাভাবিক দাম নেয়া হচ্ছে। পূজাকে কেন্দ্র করে বাড়তি দাম নিচ্ছেনা বলেন জানান তিনি।
বনরুপা বাজার ড্রেস পয়েন্টের স্বত্ত্বাধিকারী নীলু মজুমদার জানান, পূজোতে বাচ্চাদের পোশাক আর পাঞ্জাবির চাহিদাটা বেশি। অন্যান্য পোশাকের সাথে আমাদের পাঞ্জাবি আর বাচ্চাদের পোশাকই বেশি বিক্রয় হচ্ছে।
এদিকে, শহরের কাপড় দোকানগুলোতে দেখা গেছে ভিন্নরেখা। রাঙামাটি শহরের প্রাচীন কাপড়ের দোকান বধূয়া বস্ত্র বিতানের পরিচালক রাজু গোপাল দাশ জানিয়েছেন, এখনো আমাদের দোকানে পূজার প্রভাব পড়েনি। তবে পূজা ঘনিয়ে আসলে বেচাকেনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে পারে।

১ Comment
Anter Sen uncle aunty re tho dekha jai. tui koi..?! 😛