হাম আক্রান্ত এলাকা খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার দূর্গম রথিচন্দ্র কার্বারী পাড়ায় গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে দীঘিনালা সেনাজোনের মেডিক্যাল টিম। সেখানে দরিদ্র ৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্যও বিতরন করা হয় সেনা জোনের পক্ষ্য থেকে।
মেডিক্যাল টিমের নেতৃত্বে ছিলেন জোনের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন আহসান হাবিব নোমান।
জানা যায়, রথিচন্দ্র কার্বারী পাড়াতে গিয়ে প্রায় ২০০ জনকে চিকিৎসা সেবা দেয়; তাদেরকে বিনামূল্যে ঔষধও দেওয়া হয়েছে। এর মাঝে হাম আক্রান্ত ৮শিশুও রয়েছে; যাদের মধ্য থেকে ২জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলা হাসপাতালে একই গ্রামের হাম আক্রান্ত হয়ে ভর্তিকৃত শিশু হলো মোট ২৩জন। এর বাহিরে নয়মাইল এলাকা থেকে হাম আক্রান্ত আরো ৬শিশুকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার গনেশ ত্রিপুরা।
এছাড়া সে এলাকায় ৫০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরন করা হয়। প্রতি পরিবারকে ৫কেজি চাল, ১কেজি আটা, ১কেজি আলু, ১কেজি ডাল ও ১কেজি তেল দেওয়া হয়।
জোনের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন আহসান হাবিব নোমান কালের কন্ঠকে জানান, সে এলাকায় গিয়ে ১৮২জনকে চিকিৎসা এবং বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে ৮জন হাম আক্রান্ত এবং ২৫জন শিশু সাধারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্দি জ্বরে ভূগছিল। তবে অধিকাংশরা অপুষ্টিজনিত কারণে রোগে আক্রান্ত বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গতঃ প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রথিচন্দ্র কার্বারী পাড়াতে শিশুদের মাঝে হামের প্রকোপ দেখা দেয়। কুসংস্কার এবং গুজবে সে এলাকার লোকজন শুরুতে শিশুদের চিকিৎসা করায়নি। সর্বশেষ শনিবার মারা যায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধ্বনিকা ত্রিপুরা। এর পর বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশাসন সে এলাকায় গিয়ে শুরু করে চিকিৎসা তৎপরতা।
Previous Articleহতদরিদ্রদের পাশে বনরূপা স্পোর্টিং ক্লাব
Next Article করোনা মোকাবেলায় আমানতবাগ তরুণ সামাজিক সংগঠন
