পার্বত্য শহর রাঙামাটির করোনাবন্দী জীবনের দ্বিতীয় দিনে পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম এর পাঠকদের কাছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম –‘রাঙামাটির কোন সমস্যাটিকে আপনার সবচে বড় এবং প্রধান সমস্যা মনে হয় আপনার?’
জবাবে একের পর এক পাঠক জানিয়েছেন নিজেদের ভাবনা। সেইসব ভাবনাগুলোই আমার তুলে ধরছি এই প্রতিবেদনে-
নায়েমউদ্দিন লিখেছেন-‘মানুষের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা বেশি।’
নিয়মিত পাঠক সাব্বিরুল ইসলাম কাব্য লিখেছেন-‘চিপাচাপা সব জায়গায় মদ বানানোটা সাথে পোলাপাইনের রাস্তাঘাটে সিগারেট খাওয়াটা।’
রাঙামাটি সরকারি কলেজের ছাত্র ও সমাজকর্মী সাদেক হোসেন লিখেছেন-‘অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় সিএনজি-এর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকা টা আমাদের অনেক ভোগান্তির কারন।তাদের অযৌক্তিক কারনে ধর্মঘট আমাদের বিরক্ত করে তুলেছে।’
তপু চৌধুরী লিখেছেন-‘টেম্পু বোট বা স্প্রীড বোট গুলো উপাজেলা ভিত্তিক একেবারে বন্ধ করে দেওয়া।’
শাকিল মজুমদার জানিয়েছেন-‘নদী পথে বেশিরভাগ উপজেলা যাওয়া আসার মাধ্যম হিসেবে সীমিত আকারে নৌযান চলা উচিৎ।’
মোরশেদ আলম লিখেছেন-‘অভ্যন্তরস্থানে যাতায়াত ব্যবস্থা শুধু মাত্র সিএনজি নির্ভর হওয়া।’
টিসু নাথ লিখেছেন-‘উপজেলা গুলোতে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে মনে করি।’
মোঃ ইকবাল লিখেছেন-‘দুনীতি বাজদের জন্য ও পক্ষে যখন বড় বড় নেতা ও এম পি ও মন্ত্রীরা কথা ও নাক গলায়।’
প্রকৌশলী নাসির লিখেছেন-‘অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কলহ।’
এস চাকমা টিটু জানিয়েছেন বেশ সুচিন্তিত অভিমত। তিনি লিখেছেন ‘শহরের আয়তন অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধি ময়লা আব`জনার অব্যবস্তাপানা পরিবেশ দূষণ। পৌরসভার উচিত প্রতিটি এলাকাই নিদ্দিস্ত দাস্তবিন সরবরাহ করা নাহলে ভভিসসতে পরিবেশ দূষণ থেকে রাংামাতিকে বাচান সম্বব হবে না।’
অমিরাজ দাশ লিখেছেন-‘পয়নিষ্কাশন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা, ডাস্টবিন সমস্যা।’
সূবর্ণ চাকমা লিখেছেন-‘লেকের পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ঘরবাড়ি এবং রাস্তার পাশে দোকান গুলো বড় ধরনের সমস্যা।’
নূর মোহাম্মদ লিখেছেন-‘অপরিস্কার নগরী।’
প্রিয়দর্শী চাকমা লিখেছেন-‘শহর এবং গ্রাম বৈষম্য। গ্রামে করোনা প্রতিরোধে সচেতনার কর্মসূচী এখনও নজর পড়ে নি। শুধু রাস্তা পাশে দুইটি লিপলেট দিয়ে কর্মসূচী শেষ। প্রশাসনের উচিত মাইকিং করে সচেতন করা ।ন্যুনতম দৈনিক একবার।’
হরিশ্চন্দ্র কার্বারী লিখেছেন-‘অপরিকল্পিত সবকিছুই, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।’
ক্রীড়া সংগঠক নাসিরউদ্দিন সোহেল বলেছেন-‘যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবন এটাই বড় সমস্যা!’
সাংবাদিক মিশু দে লিখেছেন-‘অপরিকল্পিত নগরায়ন সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
রুম্পা দে লিখেছেন-‘কোনো দূর্যোগ হলে সব চেয়ে বিপদে পরে গরিব পরিবার গুলো।এটা ও বড় সমস্যা।’
মি: সুজিত লিখেছেন-‘সমষ্যায় জর্জরিত কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি।’
এইরকম রাংগামাটির অনেক মানুষ আছে যারা না খেয়ে আছে কিন্তু কাউকে বলার ও সুযোগ তাদের নেই।’
( পাঠকদের লেখার বানান ও স্টাইল হুবহু রাখা হলো)
