খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। নির্যাতের শিকার ওই শিশু ২১ দিন ভর্তি থেকে চট্টগ্রাম মা ও শিশুসদন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে মঙ্গলবার বাড়ি ফিরেছে। তবে শিশুটি এখনো পূর্ন সুস্থ হয়নি। এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন; অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি উপজেলার ছোটমেরুং ইক্রা হেফজুল মাদ্রাসাতে। সে মাদ্রাসায় এতিম ও দরিদ্র শিশুরা থেকে পড়ালেখা করে। আটককৃত শিক্ষক মো. নোমান (২২) মেরুং ইউনিয়নের ছোটমেরুং এলাকার মো. আলিম মিয়ার ছেলে এবং প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম (৩৫) অনাথ আশ্রম এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়। নির্যাতনের শিকার শিশু মো. ফরহাদ হোসাইন (১০) একই ইউনিয়নের ৩নং কলোনী এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে।
গতকাল (বুধবার) থানায় বসে কথা হয় ভূক্তভোগি শিক্ষার্থী শিশু, তার মা ও বাবার সাথে। এসময় উপস্থিত লোকজনের সামনে আটককৃত দুই শিক্ষককে ওসির কক্ষে আনা হলে শিশুটি তাদের সনাক্ত করে জানায়, পড়া না পারলে প্রধান শিক্ষক শরিফুল অল্প মারতো। তবে অনেকগুলো বেত একসাথে করে বেশি মেরেছে নোমান। তখনো শিশুটিকে অনেক দূর্বল মনে হচ্ছিল। তার চোখেমুখে আতংকের ছাপ দেখা গেছে। সে ভাল ভাবে কথাও বলতে পারছিলনা; পারছিলনা সোজা হয়ে শক্ত করে দাঁড়াতে।
ওই শিক্ষার্থীর বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, গত ঈদে মাদ্রাসা বন্ধ থাকার সময় তার ছেলে বাড়িতে গিয়ে বলেছিল, মাদ্রাসাটি ভালনা সে আর মাদ্রাসায় পড়বেনা। তখনও তিনি এতকিছু বুঝে উঠতে পারেননি। রফিকুলের অভিযোগ তার শিশু ছেলেকে নোমান বলাৎকার করেছে বা বলাৎকারের চেষ্টা করেছে। আর এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্যই মেরে অসুস্থ বানিয়েছে অবুঝ শিশুকে। তার ছেলে অসুস্থ হওয়ার পর কারণ জানতে চান ছেলের নানী। তখন সে তার নানীর নিকট সব খোলে বলে। বিষয়টি তখন প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়। সেসময় অভিযুক্ত নোমান হাটহাজারিতে ৪৫দিনের একটি প্রশিক্ষনে গিয়েছেন জানিয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন সে ফেড়ার পর আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পর তিনি বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানান। চেয়ারম্যান আগে ছেলের চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
শিশুটির মা জরিনা বেগম কান্না করতে করতে জানান, চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন সময়ে সারা রাত জেগে ছেলেকে নিয়ে কেঁদে-কেটে সময় পার করেছেন। এমন কষ্ট যেন সন্তানের জন্য কোন মায়ের না করতে হয়। আপোষ মিমাংসা করার জন্য অনেকে প্রস্তাব দিলেও তিনি ন্যায় বিচার চান; তাই মামলা করতে থানায় এসেছেন।
মেরুং ইউপি চেয়ারম্যান রহমান কবীর রতন জানান, ঘটনাটি খুবই অমানবিক এবং নির্যাতনের শিকার ছেলেটি এখনো সুস্থ হয়ে উঠেনি; এ অপরাধের বিচার হওয়া প্রয়োজন।
দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সামসুদ্দীন ভূইয়া জানান, ঘটনা শোনার সাথে সাথেই অভিযুক্তদের আটক করে আনা হয়েছে। শিশুটির বাবা রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে দুই শিক্ষককে আসমি করে মামলা করেছেন।

৭ Comments
এখন শালাদের করা উচিত
guli kore mara ucit salader
bastered,son of beatch.
Thin rastar majkanea gerea dil mara ucit.r jei marbea na thader veasi korea mara ucit.
Tader sacti paway dorkar .tara manos na manos namer posu .tara sikka k omor jada korece.emon sacti paway dorkar jate kono sikkok emon kaj korte na pare
ডিম দেওয়া হবে তো
অনেক দেরি হয়েগেছে,ধরার আগে পাবলিকরা মিলে দুই কুকুরের লিংগ দুইটা কেটে নেওয়ার দরকার ছিল।