‘বসতি দিবসের সরকারি কর্মসূচীতে এই বিষয়ে যাদের কাজ বেশি বা যারা প্রকৃতঅর্থে কাজ করবে সেই সংস্থার অনুপস্থিতিতে আমি হতাশ। রাঙামাটি শহরকে সুন্দর রাখার জন্য এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করবে যে প্রতিষ্ঠান, সেই পৌরসভার কোন প্রতিনিধি সভায় আসেনি, এটা দুঃখজনক’- এভাবেই নিজের হতাশা আর আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ। একইসাথে সভায় উপস্থিতি কম থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে আগামীতে এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয় সে ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। তবে তাৎক্ষনিক জবাবে গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, এই অনুষ্ঠানে পৌরসভাকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে, কিন্তু তারা কেনো আসেনি, আমি জানিনা।’
বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন তারা।
দিবসটি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম শফি কামাল, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম সানাউল্লাহ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীগন।
জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের আয়োজনে বিশ্ব বসতি দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো, ‘বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।’
গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম সানাউল্লাহ বলেন, আজকের দিনের প্রতিপাদ্য অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে সরকার, তবে সব কাজ সরকার একা করতে পারবে না, জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সেখানে সেখানে যাতে বসতি স্থাপন না করি সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে রাঙামাটি। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। এই বিষয়েও আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।’
জেলা প্রশাসক এসময় আরো বলেন, ‘আমরা সকলে মিলে শহরটাকে সুন্দর রাখব, মোট কথা যার ওপর যে দায়িত্ব বর্তায়, তা আমরা সঠিকভাবে ও আইন মাফিক পালন করব। আমরা জনগণ প্রশাসন সকলে আন্তরিকভাবে কাজ করলে শহর সুন্দর হবে, আমাদের দেশটাও সুন্দর হবে।’
