মুক্তিযুদ্ধকালীন রামগড় মহকুমার প্রধান সংগঠক ও রামগড় আওয়ামীলীগের পুরোধা ব্যক্তিত্ব মরহুম সুলতান আহমেদ’র ২২ তম ও আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম ইয়াছিন মিয়ার ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী খাগড়াছড়ির রামগড়ে শুক্রবার পালিত হয়েছে।
ইয়াছিন স্মৃতি পরিষদ’র ব্যানারে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ এই দিন কালো ব্যাচ ধারণ করে শোকর্যালীর মাধ্যমে মরহুমদ্বয়ের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি কবর জিয়ারত করে তাঁদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।
ইয়াছিন স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ও যুবলীগ সভাপতি মো. আবদুল কাদের ও সদস্য সচিব প্যানেল মেয়র আহসান উল্ল্যাহ ,১৯৯৯ সালের ২৮ জুন নির্মম ভাবে খুন হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম ইয়াছিনের হত্যা মামলা পুনরায় চালু করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করানো এবং মুরহুম সুলতান আহমেদ ও মরহুম ইয়াছিন মিয়ার নামে সড়ক কিংবা কোন ভবনের নামকরণের দাবি জানান। এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুক, মরহুম ইয়াছিনের সন্তান শাহরিয়ার আরমান, যুবনেতা রফিকুল আলম কামাল, লিটন দাশ, নাজিম উদ্দিন খাঁজা, মো. দুলাল প্রমুখ দলীয় নেতা-কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাদজুমা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গত, ৮ ডিসেম্বর ’৭১ পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয় রামগড়। ওই সময় আওয়ামীলীগের অবিসংবাদিত নেতা রামগড় মহকুমা কেন্দ্রিক মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক মরহুম সুলতান আহমেদ মুক্তিপাগল জনগনকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় শরণার্থী শিবির সাবরুম মহকুমার কাঁঠালছড়ি থেকে বাংলাদেশের পতাকা রামগড় এনে উত্তোলন করেন।
অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হন মরহুম ইয়াছিন মিয়া। ১৯৯৯ সালের ২৮জুন খাগড়াছড়ি থেকে রামগড় আসার পথে জালিয়াপাড়া সড়কের মাহবুব নগর নামক স্থানে তাঁকে গুলি ও জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
