জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাঙামাটিতে তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে রাঙামাটির মানিকছড়ি, ভেদভেদী, তবলছড়িতে সোম ও মঙ্গলবার ২৭টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে রাঙামাটি শহরে তবলছড়ি বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সকাল ১১টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ১৫টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ২টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত মোল্লা লবণ (ইউনিট-২) ২১ প্যাকেট এবং ১০ কিলোগ্রাম পোকাযুক্ত লাচ্ছা সেমাই ধ্বংস করা হয়েছে। এতে পোকাসহ মোড়কজাতকৃত ব্র্যান্ড বিহীন লাচ্ছা সেমাই বিক্রয়ের জন্য সংরক্ষণ করায় ৩৭ ধারায় ২হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও বর্ণিত সেমাই ধ্বংস করা হয়। এছাড়াও আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত মোল্লা লবণ (ইউনিট-২) বিক্রয়ের উদ্দেশে সংরক্ষণ করায় আরো একটি দোকানকে ৪৫ ধারায় ২হাজার টাকা জরিমানা করে সতর্ক করা হয়।
তবলছড়ি বাজারের ব্যবসায়ি কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিষিদ্ধ ৫২ পণ্য বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয় অভিযান পরিচালনাকালে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় অভিযান পরিচালানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। এতে আরো সহযোগিতা করেন জেলা মার্কেটিং অফিসার মোঃ এমদাদল্লাহ্ ভূঁইয়া।
এছাড়াও সোমবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক রাঙামাটি শহরের মানিকছড়ি ও ভেদভেদি বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়। এতে পরিচালিত অভিযানে ১১টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ২টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মেয়াদ বিহীন ড্রিংক ও ছাপা সংবাদপত্রে রক্ষিত খাদ্যদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।
