এ যেনো শেকড়ের কাছেই ফেরা। বহু যুগের ঐতিহ্য আর সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ধারক হয়েই যেনো অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে একটি জাতির সম্মুখপাণে চলা। ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’-এই শ্লোগানে সারাদেশের মতো পার্বত্য জনপদ রাঙামাটিতেও বর্ণিল আয়োজনে পালিত হয়েছে বাঙালীর প্রাণের আয়োজন পহেলা বৈশাখ।
সকালে রাঙামাটি শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরের উম্মুক্ত মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার,রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ,পুলিশ সুপার আলমগীর কবির,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম শফি কামাল।
শোভাযাত্রা শেষে আবাহনের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয় নতুন বছরকে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছিলো পান্তাভাতের আয়োজনও। এছাড়া যেমন খুশি তেমন সাজো,চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ ছিলো বৈচিত্রময় আয়োজনও।
এদিকে একই সময়ে শহরের কলেজগেইট এলাকাবাসির পক্ষ থেকে ছিলো ভিন্নতর আয়োজন। র্যালি,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালিত হয় এই এলাকাবাসির উদ্যোগে। বিকালে কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ব্যান্ড শো।
সকালে রাঙামাটি সরকারি কলেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের নানা আয়োজন। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,নাটক,পান্তাভাতসহ হরেক আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালন করে কলেজের শিক্ষার্থীরা,যার নেতৃত্বে ছিলো কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।


এদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়ন এর উদ্যোগে এবং লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অংশগ্রহণে রিজিয়ন মাঠে আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলাসহ নানান অনুষ্ঠানের। এই আয়োজনে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।





বৈশাখের বর্ণিল আয়োজন ছিলো রাঙামাটি পুলিশেরও। পুলিশ পরিচালিত পলওয়েল ন্যাচার পার্কে এই দিন আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।
এছাড়া ছোটবড় নানান সামাজিক,সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও পালন করে নানা কর্মসূচী। শহরের রিজার্ভবাজারের সামাজিক সংগঠন নির্ঝর সংঘের উদ্যোগে বিকাশে শহরে বের করা হয় বৈশাখী মোটর শোভাযাত্রা।








